শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
ডেক্স রিপোর্টার;
পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলা জুড়ে ফলের দোকান গুলোতে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়,রমজান কে কেন্দ্র করে।মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিন্ম আয়ের মানুষেরা ঈশ্বরদী বাজারের এক শ্রেণীর সিন্ডিকেট ও ফল আর ব্যবসায়ীর কাছে জিম্মি। তারা ঈশ্বরদী উপজেলা জুড়ে পাইকারি মৃল্যে ফল বিক্রয় করছেন। আজকে ও বিভিন্ন ফলের দোকানে গিয়ে দেখা গিয়েছে তারা উচ্চ মৃল্য মৌসুমী ফল বিক্রি করছেন।৷ বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) সকালে ঈশ্বরদী বাজার, কলেজ রোড, রেলগেটের ফলের কয়েকটি দোকান ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। এই বার নিত্যপন্যের দামের অস্বস্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে রমজান,দাম কমানোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ভোক্তা অধিকারীর মাধ্যমে নানা উদ্যেগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং নতুনহাট দাশুড়িয়া হাটে বিভিন্ন ফলের দোকানে তরমুজ এবং খেজুরের উচ্চ মাধ্যমিক বিক্রি করাতে দোকানদারদের জরিমানা করা হয়েছে। এরপরও কোনো প্রভাব নেই স্থানীয় বাজার গুলোতে। বরং দাম বেড়েছে রোজার অতি প্রয়োজনীয় ইফতার সামগ্রীর দাম,আপেল প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদ বুঝে,খেজুর খুলা টা ২০০ টা কেজি,প্যাকেট খেজুর প্রকার ভেদ বুঝে ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে, কমলা ৩৫০ থেকে ৩৮০ টকা প্রকার ভেদ বুঝে দাম বাড়ানো হয়েছে, যা গত দুদিন আগেও ই ২৫০ থেকে ২৭০ টাকা বিক্রি করতে দেখা গেছে। সাগর কলা ২৫ টাকা হালি, প্রকার ভেদ বুঝে,দেশি কলা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, যা কয়েক দিন আগেওই ২০ টাকা হালি ছিল, মুড়ি ৮০ থেকে ১০০ টাকা,প্রকার ভেদ বুঝে বিক্রি করতে দেখা গেছে, যা দুদিন আগেও ৯০ টাকায় ছিল। এমন অবস্থা চলতে থাকলে সারাদিন রোযা রেখে ভালো কিছু দিয়ে মধ্যবিত্ত ও গরিব মানুষেরা ইফতারি করতে পারে না, বলে ধারনা করেন ইফতারি কিনতে আশা সাধারণ ক্রেতারা।