শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০১:১১ অপরাহ্ন
সোহরাওয়ার্দী হোসাইন;
আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে “আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন” নামে একটি নতুন রাজনৈতিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। সংগঠনটির উদ্যোক্তা হিসেবে সাবেক ছাত্রনেতা আলামিন আটিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সংগঠনটি নির্বাচন-বিমুখ একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বৈদেশিক হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় নিবেদিত থাকবে।
সংগঠনটির মুখ্য সংগঠক আলামিন আটিয়া জানান, আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের সাংগঠনিক কাঠামো হবে তিনস্তরবিশিষ্ট। এর মধ্যে রাষ্ট্রের সিনিয়র সিটিজেন ও বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে গঠিত হবে উপদেষ্টা প্যানেল, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক সদস্য, আমলা ও সাংবাদিক নেতা এবং বিশিষ্টজনদের নিয়ে গঠিত হবে ইন্টিলিজেন্ট প্যানেল এবং সবশেষে থাকবে অপারেশন প্যানেল, যা ছাত্রনেতা ও এক্টিভিস্টদের নিয়ে গঠিত হবে এই প্যানেল, যেখানে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্রসহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল সম্পাদকগণ থাকবেন।
আলামিন আটিয়া আরও বলেন, সারাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জেলা, উপজেলা ও মহানগরী থেকে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করতে পারবেন এবং বিশেষভাবে আলেম সমাজ ও অন্যান্য জনপ্রতিনিধিত্বশীলদের অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্বকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। জাতিগত ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন, বাণিজ্যিক আগ্রাসন বিদেশি হস্তক্ষেপ মোকাবিলায় এটি একটি শক্তিশালী প্রেশার গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে।
সংগঠনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার লক্ষ্যে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে যেন কোন বৈদেশিক আগ্রাসন না ঘটে, তা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এর পাশাপাশি সংগঠনটি বাংলাদেশের জাতীয় নেতাদের সাথে ঐক্য গঠন করে জাতীয় স্বার্থে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাবে। এমনকি রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা বহাল রেখেও সংগঠনটির সাথে যুক্ত থাকার ব্যাপারে নীতিগত কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই, তবে সর্বদলীয় প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে এই সংগঠন। কারণ, আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষায় একটি নতুন শক্তি, যা কেবল দেশের জনগণের স্বার্থে একত্রিত হবে।